Google AdSense Approval
Google AdSense Approval

Google AdSense Approval পেতে হলে আপনাকে কিছু  বিষয় সব সময় মাথায় রাখতে হবে।

 

চলুন দেখি Beginner  যারা তাদের approval পেতে হলে কি কি Google AdSense Approval  Tips দরকার 



এডসেন্স কত প্রকার ও কি কি? এবং এদের মধ্যে পার্থক্য কি ?

অ্যাডসেন্স সাধারণত ২ প্রকার।-





হস্টেড এবং নন হস্টেড । এখন আপনি কিভাবে বুঝবেন আপনি কোনটি পেয়েছেন আপনার একাউন্ট এ গেলে আপনার নামের নিচে দেখেত পাবেন আর আপনি যদি ব্লগার এ কাস্টম ডোমেন ছাড়া আর ইউটিউব এ অ্যাডসেন্স নিয়ে থাকেন সেটি আপনার হস্টেড কারন আপনি গুগল এর প্লাটফর্ম এ আছেন আর নিজের নামে ওয়েব সাইটে এ পেলে সেটা নন হস্টেড একাউন্ট হবে ।


Google AdSense Approval পেতে হলে নিম্নের বিষয়গুলো মাথায় রাখলেই আপনি খুব সহজে অ্যাডসেন্সের এপ্ররুভাল পেয়ে যাবেন ।


১. ১৫-২০-৩০  টা পোস্ট অবশ্যই করবেন এর বেশি হলে ভালো হয়।
২. About পেইজ , Contact পেইজ , Privacy & Policy পেইজ । 
৩.পাশাপাশি খেয়াল রাখবেন কোন লেবেল যাতে ফাকা না থাকে। 
৪. সবচেয়ে ভালো হল ইউনিক ইমেজ ।গুগল এ গিয়ে  কপিরাইট ইমেজ নিবেন না।
৫. প্রতিটা আর্টিকেল ৪০০-৫০০ word এর বেশি লিখবেন।


Google AdSense Approval পেতে পূর্বে কিছু Check List বানিয়ে নিবেন  ।




 


সাইটের সকল পোস্ট ৮০-৯০ % % ইউনিক কিনা এবং গুগল পলিসির ভিতরে আছে কিনা চেক করে নিতে হবে।

 

  • সাইটের সকল গুরুত্বপূর্ণ পেজ ঠিক আছে কিনা চেক করতে হবে।
  • সাইটের পোস্ট ১৫-২০ টা ঠিকমতো ইনডেক্স হচ্ছে কিনা, ওয়েবমাস্টার টুলস এ দেখতে হবে
  • সাইটের ডিজাইন ইউজার এবং এসইও ফ্রেন্ডলি কিনা সেটা চেক করতে হবে।
  • সাদা সিদে ন্যাভিগেশন এবং লেয়াউট এ সব দরকারি জিনিস রাখতে হবে।
  • সার্চ ইঞ্জিনে কিছু Organic Keywords এ টপে Rank করালে এক্সট্রা পাইরটি পাওয়া যাবে। (যদিও Content is your King) এইসব কিছু ঠিকমতো চেক করে ৫০-৬০ দিন বসয়ের একটা সাইট দিয়ে এপ্লাই করলে ১০০ % শিওর প্রথম চান্সেই এপ্রুভ পাওয়া সম্ভব ।




আপনি যদি  আর্টিকেল গুলো যদি স্পিন করার কথা ভাবেণ এবং গুগলের কপি স্কেপ প্রিমিয়াম পাশ হয় তাহলেও এডসেন্স দিবে না আপনাকে ,এইভাবে অনেকেই চেষ্টা করেছে, কেউ পায় নাই। ইউনিক আর্টিকেল হলেই  সহজে পাওয়া যায়।

আর্টিকেল স্পিন করার চিন্তা থাকলে তো হবে না Keywords Target করে ডোমেইন নাম পছন্দ করুন । সেটাই বেশি ভালো হবে।গুগল থেকে কারো কপিরাইট সিল দেওয়া / প্রোটেকশন করা ইমেজ নিবেন না।

সাইটে ৪০-৫০ টা ইউনিক আর্টিকেল আছে কিন্তু ভিজিটর খুবই কম এমন সাইট দিয়ে ও অ্যাডসেন্স পাওয়া যাবে । গুগল চায় ভালো মানের কনটেন্ট। ভিজিটর কোন ফ্যাক্ট না Top Level Domain,  About, Contact, Privacy  পেইজ ঠিক মত সেট করলে আপনি অনুমোদন পেয়ে যাবেন ।

 আর্টিকেলের  মান ভালো না খারাপ হল এটা চেক করার সাইট বা সফটওয়ার আছে, একটা ভালো  আর্টিকেলের কি কি গুন থাকতে হয় তা জানবেন কিভাবে ,  এখানে সকল জনপ্রিয় টুলসগুলো আছে। আপনি এগুলো দিয়ে চেক করতে পারবেন  Plagiarism Checker পেইড টুলসগুলো আরও ভালো রেজাল্ট দেখায় ।

 content এর যদি কোনো problem থাকে সেইটা একবার apply  করার পর বুজতে পেরেছেন  যদি সেই content গুলো delete করে দিয়ে আবার fresh  কনটেন্ট পোস্ট করে আবার apply করেন তাহলে এপ্রুভ পেয়ে যেতে পারেন কিন্তু কপি পেস্ট মুক্ত ফ্রেশ কনটেন্ট ।



অবশ্যই গ্রামার, সেন্টেন্স এবং কতো % ইউনিক সেটা মাথায় রাখতে হবে, আশা করি বুঝতে পেরেছেন। ডিলেট করলে বিপদে পড়বেন। 404 not Found আসবে আর সাইটের Rank হারাবেন। কনটেন্ট আপডেট কিংবা রি – রাইট করলে ভালো হবে।


 Common Page গুলো কিভাবে generate করবেন ?


Privacy policy, terms and condition গুগল এ দেখবেন সার্চ করে  দিয়ে জেনারেট করবেন আর DMCA পেজ সবার একই রকম থাকে ।  ২-৪ লাইন গুরিয়ে ফিরিয়ে নিজের মতো করে দেন। এখনো কোন দিন সমস্যা হয় নাই।  আশা করি আপনার বেলাতেও হবে না।

এছাড়া সেই সাইটগুলো আপনাকে ফ্রীতে এবং পেইড দুইভাবেই দিতে পারবে আপনি যেমণটা চাবেন । privacy policy generator, terms and condition generator, Disclaimer Generator এমণ লিখে সার্চ দিলে পেয়ে যাবেন গুগল এ । 


দেশের বাইরের অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করবেন কিনা ?

উন্নত দেশ যেমনঃ USA, UK, Spain প্রভৃতি দেশ থেকে আবেদন করলেই  নাকি AdSense account এবং code তৎক্ষণাৎ পাওয়া যায়। ব্যাপারটি সত্য ? উন্নত দেশ থেকে পাওয়া account এবং আমাদের দেশ থেকে পাওয়া account গুলোর মধ্যকার  পার্থক্য তেমন না

আপনি শুধু আগে বা সাথে সাথে অনুমোদন পাবেন কিন্তু  Developed country- address verified account-এ আমাদের দেশের আপনি চালাতে পারবেন কিন্তু  এটা করলে গুগলের নীতিমালা ভঙ্গ করবেন। কারন, আপনার দেশ  বাংলাদেশ। ভেরিফাইড করা এবং টাকা তোলা নিয়ে ঝামেলায় পড়বেন। অথবা অইদেশের  কাউকে দিয়ে সেম নাম ঠিকানায় ব্যাংক একাউন্ট করতে হবে। । advantage & disadvantage নাই। সকল সুবিধা সমান। আমি এটা সাজেস্ট করি না.



Google AdSense Approval কিভাবে ধরে রাখবেন আর Income কিভাবে করবেন ?





গুগলের নিয়ম অনুযায়ী সাইট বানিয়ে অ্যাডসেন্স এপ্লাই করলে পাওয়া  যায়। আর অ্যাডসেন্স ধরে রাখার জন্য গুগলের কোন টার্মস ভঙ্গ করা যাবে না। আর  বেশি বেশি ইনকামের জন্য বেশি বেশি ভিজিটরস লাগবে। তার জন্য এসইও জানতে  হবে


Google AdSense এর টাকা কিভাবে উঠানো যায় ?

 ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের সবাই চেক দিয়ে  টাকা ক্যাশ করত । মাস খানিক সময় লাগতো টাকা ক্যাশ করতে। এখন EFT আছে ।  সরাসরি ৪-৫ দিনেই টাকা ব্যাংক এ চলে আসে,  ডাচ বাংলা ব্যাংক দিয়ে ,অনেকেই ব্র্যাক দিয়েও তুলে, কোন সমস্যা নাই।

বাংলা ওয়েবসাইট হলে কি AdSense apply  করা যাবে ?


জ্বি, হ্যা। ২৬শে সেপ্টেম্বার ২০১৭, গুগল তার অ্যাডসেন্স ব্লগে বলে যে এখন থেকে বাংলা ভাষায় ও গুগল অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন দিবে । 



গুগল অ্যাডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসির কি কি নিয়ম আছে তা নিজে দেখে আসুন



 


সর্বপ্রথম গুগল অ্যাডসেন্স প্রোগ্রাম পলিসি ভালো ভাবে পড়ুন এবং দেখুন যে আপনার সাইটটি এর যোগ্য কিনা। এরপর ও আমি বলে দিচ্ছি নিচে সেগুলো কিছু কিছু 

আজকে আমার এই লেখার উদ্দেশ্য আপান্দের সবাইকে জানানো যারা কিনা ভাবছেন কাজ করবেন অ্যাডসেন্স নিয়ে । অনেকেই অনেক সময় অনুমোদন পায় না আবার অনেকে আছে যারা পেয়ে নিজেদের ভুলের কারণে আর অ্যাডসেন্স ব্যাবহার করতে পারে না তাই আপনারা সবাই এই গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ করার আগে ভালো মত তাদের পলিসিগুলো পড়ে নিবেন, আপনি কি করতে পারবেন কি করলে তারা আপনাকে ব্যান করবে সেসব জেনে নিবেন আশা করছি সবাই বুঝতে পেরেছেন । 

Contact with Me If You Became a Writer in This Website

Contact Us

 

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here